সমীরণ পাল, কলকাতা: বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের বাড়িতে এলেন সিপিআইএম নেতা শতরূপ ঘোষ। তার সঙ্গে ছিলেন কাঁচারাপাড়া সিপিআইএম উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সদস্য দেবাশীষ রক্ষিত।
আরও পড়ুন, ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার
শতরূপ ঘোষ বলেন, ‘শুভ্রাংশু পরিবারের সঙ্গে আমরা আছি ,সরকারের পাশেও আমরা আছি,এখন একমাত্র সরকার চেষ্টা করুক কীভাবে খোঁজ খবর নিতে পারবে। এই বিষয় তিনি আরও বলেন ৩২ জন পরিবারের অপেক্ষায় আছে খবর আসার। আমার আমাদের পক্ষ থেকে ও চেষ্টা করব কীভাবে খোঁজ পাওয়া যায়। পরিবার খুব দুশ্চিন্তা আছে।’
কৈলাস-মানস সরোবর বেড়াতে গিয়েই নিখোঁজ হন বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী। গত ২১ তারিখ একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত মাসের শেষ মঙ্গলবার রাতে শেষবার কথা হয়েছিল, দাবি তুলেছিল পরিবার। তারপর আর , প্রয়াত রাজনীতিক মুকুল রায়ের পুত্রবধূর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জানা যায়, হড়পা বান যেখানে হয়েছিল, তার থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ছিলেন শুভ্রাংশুর পত্নী । ইতিমধ্যেই নবান্ন ও দূতাবাসে খোঁজ নিয়েছেন উদ্বিগ্ন শুভ্রাংশু রায়।
অপরদিকে, শুভ্রাংশু পত্নী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়, যে ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে তিনি বেরিয়ে এসেছিলেন, সেখানে কোনওভাবে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। উদ্বিগ্ন বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় । মূলত তাঁর স্ত্রী গত ২১ তারিখে একাই রওনা দিয়েছিলেন, একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে কৈলাস-মানস সরোবরের পথে। গত মাসের শেষ মঙ্গলবার শর্মিষ্ঠার সঙ্গে শেষবারের মতো কথা হয়েছিল মুকুল পুত্রের। যেখানে হড়পা বান হয়েছে, সেখান থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরত্বে ছিলেন তিনি। হড়পা বান হওয়ার পর থেকে আর তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ কোনও কথাই হয়নি শুভ্রাংশুর। ভ্রমণ সংস্থার অফিস থেকে শুরু করে নবান্ন এবং ভারতে নেপালের দূতাবাস পর্যন্ত জায়গায় তিনি খোঁজ খবর করেছেন। কিন্তু এখনও অবধি খোঁজ খবর পাননি তিনি।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের একাধিক জন নেপালে ঘুরতে গিয়ে ওই হড়পা বানের সময় আটকে গিয়েছিলেন, যাদের অধিকাংশেরই কোনও খোঁজ নেই। তবে অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় নেপালে শ্যুটিংয়ের কাজে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন। কিন্তু পরে ভালভাবে ফিরে আসতে সক্ষম হন। এছাড়াও কিছু মানুষ সুস্থ্য শরীরে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন।


