কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে আজ শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। গরম অনুভূত হবে, সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গে যখন গরম ও অস্বস্তি তখন উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করে জানানো হয়েছে। এমনকি ৩০ থেকে ৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তবে দক্ষিণবঙ্গকে একেবারে নিরাশ করছে না প্রকৃতি, রাত পেরোলেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণের পূর্বাভাস। এদিকে কালই পয়লা বৈশাখ। তাহলে কি বৃষ্টির মধ্য দিয়েই শুরু হবে বাংলা নববর্ষ ? কী বলছে আইএমডি।
আরও পড়ুন, আজই রাজ্যে রাহুল, পৌঁছনোর আগেই হেলিপ্যাড “তছনছ” করল তৃণমূল !
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে এই অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে কাল থেকে আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে বলে খবর। ১৫ তারিখ পয়লা বৈশাখে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কাল মূলত দক্ষিণবঙ্গের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায়, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।মূলত, ১৬ তারিখ অবধি হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।
পূর্ব পশ্চিম নিম্নচাপ অক্ষরেখাটি, বর্তমানে উত্তরপূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে মণিপুর অবধি বিস্তৃত। যা উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থানরত ঘূর্ণাবর্ত। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ এবং বাংলাদেশ অতিক্রম করে, গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে, প্রায় ০.৯ কিমি উচ্চতায় অবস্থান করছে। নিম্নস্তরের বায়ু মণ্ডলে, প্রধানত শুষ্ক পশ্চিমী থেকে উত্তর পশ্চিমী বায়ু, প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং এর ফলে ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ আজ দক্ষিণবঙ্গের গরম ও আদ্র আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা খুবই বেশি।
অন্যদিকে, পয়লাবৈশাখের আগে থেকেই উত্তরবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে প্রতি ঘণ্টায় এই ঝোড়ো হাওয়া ঝাপটা দিতে পারে খবর।
বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে, সেই সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছেন আবহাওয়াবিদরা। ঝড় ও বৃষ্টি চলাকালীন পাশাপাশি গাছ-বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং দুর্বল কাঠামোর নিচে দাঁড়াতে বারণ করা হয়েছে। জলাশয়ের সংস্পর্শও এড়িয়ে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


